রাষ্ট্রের মালিকানা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দিতেই গণভোট : ফারুক-ই-আজম বীর প্রতীক
Led Bottom Ad

সিলেটে গণভোট উপলক্ষে উঠান বৈঠক

রাষ্ট্রের মালিকানা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দিতেই গণভোট : ফারুক-ই-আজম বীর প্রতীক

প্রথম সিলেট প্রতিবেদন

১৬/০১/২০২৬ ২১:৫৩:২৮

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম বীর প্রতীক বলেছেন, রাষ্ট্র ও সরকারের প্রকৃত মালিকানা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্যই গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। গণভোটের ইতিবাচক ফলাফলই আগামীর বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। দেশের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনের জন্য গণভোটে অংশগ্রহণ অপরিহার্য।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে সিলেটের লাক্কাতুরা গলফ ক্লাব মাঠে গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জেলা তথ্য অফিস আয়োজিত উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম।

ফারুক-ই-আজম বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান লক্ষ্য ছিল গণহত্যাকারীদের বিচার নিশ্চিত করা, রাষ্ট্রব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন এবং একটি অবাধ ও সুষ্ঠু জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন। স্বল্প সময়ের মধ্যেই এসব লক্ষ্য বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তী সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। ভবিষ্যতে যেন কেউ রাষ্ট্রকে আবার ফ্যাসিবাদী পথে নিতে না পারে, সে লক্ষ্যে সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে জুলাই সনদ প্রণয়ন করা হয়েছে। ওই সনদের মৌলিক বিষয়গুলো নিয়েই গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, যারা জীবনে প্রথমবার ভোট দেবেন, তারা অত্যন্ত সৌভাগ্যবান। কারণ তাদের প্রথম ভোট হবে রাষ্ট্রের কাঠামোগত পরিবর্তন ও নাগরিকের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। গণভোটের পক্ষে জনগণের সচেতন মতামতের মাধ্যমেই দেশের অর্থনীতি, বিচারব্যবস্থা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

উপদেষ্টা আরও বলেন, একটি স্বচ্ছ, মানবিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নে ছাত্র-জনতা জীবন দিয়েছে, সেই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে গণভোট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সরকার রাষ্ট্রের সার্বিক মালিকানা জনগণের হাতে তুলে দিতে কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেন, জনগণ যদি নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন না হয়, তাহলে কোনো সরকারই ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে না। সচেতনভাবে ভালো প্রার্থী নির্বাচনের মাধ্যমেই দেশের ভাগ্য পরিবর্তন সম্ভব। আর ভালো প্রার্থী গড়ে ওঠে একটি শক্ত ও ন্যায্য রাষ্ট্র কাঠামোর মাধ্যমে। রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কার ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনের জন্য গণভোটের পক্ষে রায় দেওয়ার কোনো বিকল্প নেই।

বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবীর সভাপতিত্বে আয়োজিত উঠান বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইদুর রহমান, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের পরিচালক মীর মো. আসলাম উদ্দীন, জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম এবং সিভিল সার্জন মো. নাসির উদ্দিন।

এছাড়া সিলেট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোশনূর রুবাইয়াৎ, জেলা তথ্য অফিসের সহকারী পরিচালক রাকিব হাসানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad