জাসদ কার্যালয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ, ২৭ জন কারাগারে

সোমবার শুনানি

জাসদ কার্যালয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ, ২৭ জন কারাগারে

ঢাকা অফিস

২৭/০৯/২০২৬ ২২:২৫:২১

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

রাজধানীর পল্টনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ভেতরে ঢুকে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে অস্থিতিশীল ও বিশৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টির অভিযোগে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার ২৭ আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।

কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন— মো. দিদারুল আলম তুহিন (৫০), ইমান আহমেদ ইমন (৪৫), মোল্লা মো. শাহজাহান সিরাজ (৩৮), জয় সরকার (৩১), মো. মিরাজ আহমেদ (১৯), মো. মিরাজ মালিখা (৩৯), মো. রবিউল ইসলাম (২৮) মিলন কুমার মহন্ত (৪৯), মো. কাউসার হোসেন (৫৫), শ্রী অঞ্জন শিল (৫০), জালাল উদ্দীন মন্ডল (৫২), আব্দুল লতিফ (৪৯), শামীম আহমেদ (৫৫), আহাম্মেদ আহসান হাবিব (৪৩), মো. সুজন আলী (৩২), মো. তসিকুল ইসলাম (৩৭), মো. সাইফুল্লাহ সায়েক (৪২), নয়ন আলী সাজিদুল ইসলাম তুহিন (৪০), তাজুল ইসলাম (৩৪), নিস্কর সম্রাট হোসেন তালুকদার (৪৩), আনোয়ার হোসেন (৩২), মো. আলমগীর হোসেন (৪২), মো. আল আমিন হাওলাদার (৩৯), মো. তুষার আলী (৫০), মো. রাশিদুল হক (৪৪) এবং মীর মুক্তিসুর রহমান (৫১)।

এদিন তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাজমুল ইসলাম আসামিদের ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করে আদালতে নিয়ে আসেন। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, আসামিদের নাম-ঠিকানা সঠিকতা যাচাই ও মূল রহস্য উদঘাটনের স্বার্থে তাদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে আটকে রাখার আবেদন জানান।

এদিন সন্ধা সাতটার দিকে আদালতের হাজতখানায় এনে রাখা হয়। পরে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন। তবে আদালত নিবেদন মতে রেখে আগামীকাল সোমবার শুনানির জন্য নির্ধারণ করেন।

আটক রাখার আবেদনে বলা হয়, শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা ডিউটিতে নিয়োজিত থাকাকালে পুলিশ সংবাদ পায় যে, পল্টনস্থ জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ভেতরে একদল লোক 'জয় বাংলা' স্লোগান দিয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সংগীয় ফোর্স ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ঘটনাস্থল থেকে তাদেরকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা উক্ত ঘটনার বিষয়ে কোনো সন্তোষজনক বা বৈধ জবাব দিতে পারেনি। আসামিরা কোনো ধর্তব্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে মর্মে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তাই মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও পরবর্তী আইনি কার্যক্রমের জন্য তাদের জেলহাজতে আটকে রাখা প্রয়োজন।

নীরব চাকলাদার/ প্রসি-২০২৬

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad