তাহিরপুরে দোকানে ২০ লাখ টাকার মালামাল চুরির মামলায় যুবক আটক ‎

তাহিরপুরে দোকানে ২০ লাখ টাকার মালামাল চুরির মামলায় যুবক আটক ‎

নিজস্ব প্রতিনিধি,তাহিরপুর

০৪/০৯/২০২৬ ২১:২৩:১১

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

‎সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাণিজ্যিক কেন্দ্র বাদাঘাট বাজারে মেসার্স নাসির এ্যালুমিনিনিয়াম এন্ড প্লাস্টিক ফার্ণিচার নামীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গোডাউনে তালা ভেঙে রাতের আধাঁরে প্রায় ২০ লাখ টাকার মালামাল চুরির ঘটনার মামলায় হাফিজুর রহমান (৩৫) নামের এক যুবককে আটক করেছে তাহিরপুর থানা পুলিশ। 

৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে বাদাঘাট ইউনিয়নের দীঘিরপাড় গ্রাম সংলগ্ন  বাদাঘাট সুনামগঞ্জ রাস্তা থেকে তাকে আটক করে বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই মনিরুজ্জামান সজল সহ সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স। আটক হাফিজুর রহমান বাদাঘাট (নাগরপুর)  গ্রামের রহিছ উদ্দিনের ছেলে। 

মামলা সূত্রে জানাযায়, পৈলনপুর গ্রামের মৃত হাজী সিরাজুল হকের ছেলে নাছির উদ্দীন দীর্ঘ ১২ বছর যাবৎ বাদাঘাট বাজারে তাজুল ইসলাম মার্কেটে একটি দোকানঘর ও গোডাউন ভাড়া নিয়ে মেসার্স নাসির এ্যালুমিনিনিয়াম এন্ড প্লাস্টিক ফার্ণিচারের ব্যবসা করে আসছে। কিন্তু ঘটনার কয়েকদিন পূর্বে মার্কেটের মালিক আবুল কালাম আজাদ নাছির উদ্দীনকে দোকানঘর ও গোডাউন ছেড়ে দিতে চাপা সৃষ্টি করলে এ নিয়ে দুজনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।  পরে এই বিরোধের জের ধরে পৈলনপুর গ্রামের মৃত তাজুল ইসলামের ছেলে আবুল কালাম আজাদ(৪৫), ছেলে তারিকুল ইসলাম (২২), ছোট ভাই আবুল হাসান (৪১), হাফিজুর (৩৫), রহমত আলী (৩৫), নুর আলম (৩৮) এবং অজ্ঞাতনামা ৪/৫ মিলে গত ১৫ জুলাই বুধবার রাত ১ টার সময় গোডাউনের তালা ভেঙে এ্যালুমিনিনিয়াম ও প্লাস্টিক ফার্ণিচার জাতীয় প্রায় ২০ লাখ টাকার মালামাল চুরির করে নিয়ে যায়। 

পরদিন ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে নাছির উদ্দীন বাজারে এসে গোডাউনের নতুন তালা দেখতে পেয়ে আশপাশের দোকান মালিক ও বাজার কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অবগত করে তাদের উপস্থিতিতেই তালা খোলে গোডাউনে কোন মালামাল না পেয়ে এই দিন সকালেই দোকান মালিক নাছির উদ্দীন বাদি হয়ে আবুল কালাম আজাদ(৪৫), ছেলে তারিকুল ইসলাম (২২), ছোট ভাই আবুল হাসান (৪১), হাফিজুর (৩৫), রহমত আলী (৩৫), নুর আলম (৩৮) এবং অজ্ঞাতনামা ৪/৫ আসামি করে তাহিরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

‎আটকের বিষয়টি  নিশ্চিত করে বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই মনিরুজ্জামান সজল বলেন, এই মামলার অন্য আসামীদের গ্রেপ্তারের পুলিশের অভিযানে অব্যাহত রয়েছে।

শামসুল আলম আখঞ্জী / মীর্জা ইকবাল

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad