নতুন পাতা ও কুঁড়ি গজাতে শুরু করেছে
শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জে আগাম বৃষ্টিতে চা বাগানে নতুন প্রাণের সঞ্চার
দীর্ঘদিনের শুষ্কতা কাটিয়ে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলার চা বাগানগুলোতে আগাম বৃষ্টিপাত নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে। শীত মৌসুমের শুরুতে গাছ ছাঁটাই বা প্রুনিং করার পর বাগানগুলো যখন রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে পড়েছিল, ঠিক তখনই এই বৃষ্টির ছোঁয়ায় চা গাছগুলোতে নতুন পাতা ও কুঁড়ি দেখা দিতে শুরু করেছে।
শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্যমতে, গত ১৩ ও ১৪ মার্চ এ অঞ্চলে ৪৪.৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা চা শিল্পের জন্য আশীর্বাদ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।
সরেজমিনে ভাড়াউড়া, জেরিন, মাধবপুর ও পাত্রখলাসহ বিভিন্ন বাগান ঘুরে দেখা গেছে, বৃষ্টির পানিতে গাছের ধুলোবালি ধুয়ে বাগানগুলো আবারও সবুজ ও সতেজ হয়ে উঠেছে এবং পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকেও গাছগুলো রক্ষা পাচ্ছে।
বাগান সংশ্লিষ্টরা জানান, এতদিন কৃত্রিম সেচের মাধ্যমে বাগান বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করা হলেও প্রাকৃতিক এই বৃষ্টি নতুন চারা ও ছাঁটাই করা গাছের দ্রুত বৃদ্ধি নিশ্চিত করবে।
চাম্পারাই ও মাধবপুর চা বাগানের ব্যবস্থাপকসহ বাংলাদেশ চা সমিতির সিলেট অঞ্চলের চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ শিবলী জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত বৃষ্টির ফলে দ্রুত চা পাতা চয়ন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শুরু করা সম্ভব হবে, যা চলতি মৌসুমে দেশে চায়ের উৎপাদন বৃদ্ধিতে এবং সামগ্রিক চা শিল্পে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: