মৌলভীবাজারে ধলাই নদীর বাঁধ রক্ষার কাজের পাশেই অবৈধ বালু উত্তোলন
Led Bottom Ad

ঝুঁকিতে সেতু ও পরিবেশ

মৌলভীবাজারে ধলাই নদীর বাঁধ রক্ষার কাজের পাশেই অবৈধ বালু উত্তোলন

নিজস্ব প্রতিনিধি, কমলগঞ্জ

২৩/১২/২০২৫ ১২:৫৭:৩৬

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে জিও ব্যাগ স্থাপনের কাজ চললেও, একই এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত রয়েছে। এতে নদীর বাঁধ, দুটি লোহার সেতু এবং আশপাশের পরিবেশ মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

রহিমপুর ইউনিয়নের মিরতিংগা চা বাগানের লোহার সেতুর কাছে ধলাই নদীর মাঝখান থেকে ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করে দীর্ঘ প্রায় দুই মাস ধরে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। অথচ একই স্থানে পানি উন্নয়ন বোর্ড বাঁধ রক্ষার কাজ করছে।

স্থানীয়রা জানান, ধর্মপুর ও রামচন্দ্রপুর এলাকায় দেড় কিলোমিটারের মধ্যে ধলাই নদীর ওপর দুটি লোহার সেতু রয়েছে। কয়েক বছর আগে মিরতিংগা সেতুর উত্তর পাশে প্রায় ২০০ মিটার প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে গিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। সম্প্রতি সেই অংশে বাঁধ মেরামতের কাজ শুরু হলেও একই সময়ে সেতুর কাছাকাছি বালু উত্তোলন শুরু হওয়ায় নতুন করে ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এ অবস্থায় গত নভেম্বর মাসে স্থানীয়রা মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিলেও বালু উত্তোলন বন্ধ হয়নি। ফলে আসন্ন বর্ষায় বন্যা ও ফসলহানির আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

তবে অভিযুক্ত বালু মহাল ইজারাদার খোরশেদ আলম দাবি করেন, তিনি ইজারা নিয়ে বৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন এবং বাঁধের ক্ষতি না করেই কাজ করছেন।

এ বিষয়ে মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. খালেদ বিন অলীদ বলেন, “বাঁধের ব্লকের পাশ থেকে কোনোভাবেই বালু উত্তোলন করা যাবে না।”

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, “সেতুর কাছ থেকে বালু উত্তোলন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শাহীনা আক্তার জানান, দ্রুত প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad