সিলেটে এসএ পরিবহনের পার্সেল ডাকাতির ঘটনায় মূল হোতা আটক
Led Bottom Ad

সিলেটে এসএ পরিবহনের পার্সেল ডাকাতির ঘটনায় মূল হোতা আটক

প্রথম সিলেট প্রতিবেদন

১৪/১০/২০২৫ ১৭:৪২:০৬

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

এসএ পরিবহন থেকে পার্সেল ডাকাতির ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় পলাতক ১ নং আসামীকে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থেকে আটক করেছে র‌্যাপিড এ্যকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-৯। ১৩ অক্টোবর বিকাল ১৬:০৫ ঘটিকার সময় আসামীকে আটক করা হয়।  গ্রেফতারকৃত আসামীর নাম- দেওয়ান হৃদয় (২৫)। সে চাঁদপুর জেলার মতলব থানাধীন বালুচরের মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে। 

 

ঘটনার বিবরণে জানা যায় যে, এস এ পরিবহন পার্সেল এন্ড কুরিয়ার সার্ভিসের সুপারভাইজার ও ড্রাইভার গত ২৩ আগস্ট ২০২৫ খ্রিঃ তারিখ রাত আনুমানিক ২৩.২০ ঘটিকার সময় নাইওরপুল সিলেট শাখা হতে এস এ পরিবহনের কাভার্ড ভ্যানে পার্সেল লোড করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা করে দিবাগত রাত আনুমানিক ০০.২০ ঘটিকার সময় সিলেটের ওসমানীনগর থানাধীন ৬ নং তাজপুর এলাকার ঢাকা সিলেট মহাসড়কের উপর পৌছালে দুই পাশ থেকে ০২টি মোটরসাইলে ০৬ জন ও একটি পিকআপ গাড়িতে চারজন তাদের গাড়ির সামনে বেরিকেড দিয়ে থামানোর জন্য সিগনাল দেয়। ড্রাইভার কাভার্ড ভ্যান থামিয়ে দরজা না খুললে তারা দরজার গ্লাস ভাঙ্গার চেষ্টা করে তখন সুপারভাইজার ও ড্রাইভার কিছু না বুঝতে পেরে দরজা খুলে দিলে তাদের গাড়ির ভিতর চারজন লোক উঠে ধাড়ালো অস্ত্র দিয়ে সুপারভাইজার কে মৃত্যুর ভয়ভীতি দেখিয়ে মারধর করে গাড়ি থেকে নিচে নামায়। পরবর্তীতে তিনজন ডাকাত তাদের ব্যবহৃত পিকআপ গাড়িতে সুপারভাইজারকে উঠিয়ে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন তাদের কাছে নিয়ে নেয় এবং কাভার্ড ভ্যানে ০২ জন ডাকাত ড্রাইভারের পেটে চাকু ধরে তাদের নিয়ে মঙ্গলচন্ডী রোডে প্রবেশ করে অনুমান ১ কিলোমিটার দূরে নির্জন স্থানে রাস্তার পাশে রাখে। অনুমান ১৫-১৬ জন ডাকাত কাভার্ড ভ্যানের পিছনের দরজার ০২টি তালা ভেঙ্গে ফেলে এবং দরজার ভিতরের তালার চাবি চাইলে সুপারভাইজার দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাদের ০২ জনকে মারপিট করে এবং মাথায় পিস্তল ধরে চাবি নিয়ে গাড়ির পিছনের দরজার তালা খুলে কাভার্ড ভ্যানে থাকা মালামাল ডাকাতি করে তাদের পিকআপ গাড়িতে উঠিয়ে নিয়ে অজ্ঞাত স্থানে চলে যায়। উক্ত ঘটনায় ভিকটিম সুপারভাইজার বাদী হয়ে সিলেট জেলার ওসমানীনগর থানায় অজ্ঞাত নামা ১৫/১৬ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে আসামীদের আইনের আওতায় আনতে র‌্যাব-৯ এই ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।


গ্রেপ্তার আসামীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে সিলেট জেলার ওসমানীনগর থানার মামলা মূলে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ছাড়াও দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‌্যাব-৯ এর চলমান গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।




তাহির আহমদ

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad