অসহায় মানুষের পাশে পরিমল দেবনাথের ‘দিপ্তা মানব কল্যাণ পরিষদ’
অসহায় মানুষের মুখে এক চিলতে হাসি ফোটানোর চেয়ে আনন্দময় আর কী হতে পারে! সেই আনন্দের বার্তা নিয়ে, আলো ছড়িয়ে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে সুনামগঞ্জের মানবিক সংগঠন ‘দিপ্তা মানব কল্যাণ পরিষদ’। আর এই মহতী উদ্যোগের নেপথ্যে প্রেরণার আলোকবর্তিকা হয়ে আছেন ইতালি প্রবাসী সমাজসেবক পরিমল দেবনাথ। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বে দোয়ারাবাজার, ছাতকসহ পুরো সুনামগঞ্জ জেলায় আজ ছড়িয়ে পড়েছে মানবিকতার এক নতুন স্পন্দন।
অভাবের কারণে কোনো অসহায় বাবার মেয়ের বিয়ে আটকে থাকবে না, কিংবা অসচ্ছলতার জন্য কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর পড়াশোনা থেমে যাবে না—এই অঙ্গীকার নিয়েই এগিয়ে চলেছে দিপ্তা মানব কল্যাণ পরিষদ। কখনো দরিদ্র পরিবারের মেয়ের বিয়ের লাল শাড়ি ও প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করে, আবার কখনো সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের হাতে বই-খাতা তুলে দিয়ে তাদের নতুন স্বপ্নের স্বপ্নদ্রষ্টা হয়ে উঠছে এই সংগঠনটি।
সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণার বিষয় হলো—এই সংগঠনটি মানুষের সেবাকে কোনো গণ্ডিতে বাঁধেনি। তবে সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ প্রতিটি সম্প্রদায়ের যেকোনো সামাজিক ও মানবিক প্রয়োজনে পরম বন্ধুর মতো বাড়িয়ে দিয়েছে সাহায্যের হাত। ধর্ম, বর্ণ কিংবা পরিচয়ের সীমানা পেরিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর যে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তারা স্থাপন করেছে, তা সুশীল সমাজে ব্যাপক প্রশংসিত ও আলোড়িত হচ্ছে।
হাজার মাইল দূরে প্রবাসে থেকেও নিজ জন্মভূমির মানুষের কষ্টের সাথী হওয়া যে কতটা আনন্দের, তা প্রমাণ করে যাচ্ছেন সংগঠনের চেয়ারম্যান পরিমল দেবনাথ। তাঁর অনুপ্রেরণা ও দিকনির্দেশনায় এলাকার তরুণ ও স্বেচ্ছাসেবকরা প্রতিদিন কাজ করে যাচ্ছেন নতুন এক প্রত্যয়ে।
আজ দিপ্তা মানব কল্যাণ পরিষদ কেবল একটি সংগঠন নয়, এটি দোয়ারাবাজারের হাজারো মানুষের আশা ও ভরসার এক ঠিকানা। সমাজ বদলের এই আলোর মিছিল আরও দীর্ঘ হোক, জয় হোক মানবিকতার!
সুজন তালুকদার / নীরব চাকলাদার/ প্রসি-২০২৬
মন্তব্য করুন: