ঈদে পর্যটক খরায় মৌলভীবাজার: শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতেও কাটছে না বুকিং আতঙ্ক
পবিত্র ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটি সামনে রেখে মৌলভীবাজারের পর্যটন কেন্দ্র ও হোটেল-রিসোর্টগুলোতে চলছে শেষ মুহূর্তের ধোয়া-মোছা ও সাজসজ্জার কাজ। তবে বরাবরের মতো পর্যটকের উপচে পড়া ভিড় নিয়ে এবার শঙ্কায় রয়েছেন জেলার পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। প্রতিবছর রমজানের মাঝামাঝি সময়ে যেখানে অর্ধেকের বেশি রুম বুকিং হয়ে যেত, সেখানে এবার ঈদের মাত্র সপ্তাহখানেক বাকি থাকলেও বুকিংয়ের হার ৫ থেকে ১৫ শতাংশের বেশি নয়।
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জসহ সাতটি উপজেলায় লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেক, মাধবকুন্ড জলপ্রপাত এবং হাকালুকি হাওরসহ প্রায় শতাধিক দর্শনীয় স্থান রয়েছে। এসব পর্যটন কেন্দ্রকে ঘিরে গড়ে উঠেছে দুই শতাধিক বিলাসবহুল রিসোর্ট ও কটেজ। ব্যবসায়ীরা জানান, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়া পর্যটক কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে। শ্রীমঙ্গল পর্যটন সেবা সংস্থার সাবেক সভাপতি সেলিম আহমেদ জানান, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার পর্যটকদের সাড়া নেই বললেই চলে। অনেক বড় রিসোর্টেই এখন পর্যন্ত ১০ শতাংশ বুকিংও আসেনি।
তবে পর্যটক সংখ্যা নিয়ে সংশয় থাকলেও নিরাপত্তায় কোনো কমতি রাখছে না প্রশাসন। জেলা পুলিশ ও ট্যুরিস্ট পুলিশ যৌথভাবে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। বিশেষ করে শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জের পর্যটন স্পটগুলোতে বাড়তি নজরদারি থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন বলেন, “ঈদের ছুটিতে আগত পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্পটে পুলিশ মোতায়েন থাকবে যাতে পর্যটকরা নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে ঘোরাঘুরি করতে পারেন।”
এ রহমান
মন্তব্য করুন: