ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত,জকিগঞ্জে বৈঠক থেকে যুবককে ক্ষমা প্রদান
সিলেটের জকিগঞ্জে সনাতন ধর্মের এক যুবকের উপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত হানার অভিযোগ উঠে। এর প্রেক্ষিতে পরিস্থিত ঘোলাটে হবার সম্ভাবনা দেখা দিলে স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লীদের উদ্যোগে জকিগঞ্জ থানা পুলিশের কার্যালয়ে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে এলাকার সনাতন ধর্মীয় বিভিন্ন সংগঠনসহ অভিযুক্ত পরিবার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) জকিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম মুন্নার উপস্থিতিতে শান্তিপূর্ণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জকিগঞ্জ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতীব মুফতি আবুল হাসান, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা জালাল উদ্দীন, জকিগঞ্জ সদর ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান হাসান আহমদ, উপজেলা খেলাফত মজলিসের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আলা উদ্দিন, উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা জয়নুল ইসলাম, উপজেলা জমিয়তের সহ সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক কে এম মামুন, উপজেলা আল ইসলাহ নেতা মাওলানা ফদ্বলুর রহমান, ইউপি সদস্য লুতফুর রহমানসহ মুসলিম ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেট জেলা সদস্য শেড়ুলবাগ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক জোতিষ চন্দ্র পাল, শুভ্রকান্তি দাস চন্দন, বাংলাদেশ পুজা পরিষদ জকিগঞ্জের সভাপতি সঞ্জয় চন্দ্র নাথ, জকিগঞ্জ প্রেসক্লাব সাধারন সম্পাদক শ্রীকান্ত পাল, পূজা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাজস বিশ্বাস, আইন বিষয়ক সম্পাদক কর্ণময় দাস, শিক্ষক নবেন্দু রায়, সাবেক ইউপি সদস্য নব কিশোর বিশ্বাস, অসিত বিশ্বাসসহ হিন্দু ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে হিন্দু যুবক দিপক বিশ্বাস, তার বাবা ও আত্মীয়রা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে করা তার ফেসবুক মন্তব্যের জন্য উপস্থিত সকলের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থণা করে ভবিষ্যতে এমন কোন কাজ তার দ্বারা হবে না মর্মে প্রতিশ্রুতি দেন। উপস্থিত মুসলিম ধর্মীয় নেতৃবৃন্দসহ জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ জকিগঞ্জের শান্তি শৃংখলা বজায় রাখতে ও ইসলাম ধর্মে ক্ষমা মহৎ গুণ একারণে তাকে ক্ষমা করে দেন।সকল নেতৃবৃন্দ এ বিষয় নিয়ে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখে ধর্মীয় সম্প্রীতির বজায় রাখতে সকলের আহবান জানান।
মীর্জা ইকবাল
মন্তব্য করুন: