মাধবপুরে নিখোঁজ যুবকের লা/শ ৩ বছর পর উদ্ধার

মাধবপুরে নিখোঁজ যুবকের লা/শ ৩ বছর পর উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিনিধি, মাধবপুর

০৩/১১/২০২৬ ১৬:৫৫:০৯

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

হবিগঞ্জের মাধবপুরে এক যুবক নিখোঁজ হওয়ার ৩ বছর পর লাশ উদ্ধার হলেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৮ টি নিরীহ পরিবার। হত্যাকরে লাশ গুম করার ঘটনায় এক দম্পত্তি কে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে ওই মামলার আসামী হওয়া ৮ টি পরিবার চড়ম ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।  

জানা যায়, হবিগঞ্জর মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের রুছমত আলীর ছেলে মোঃ মহাব্বত আলী ২০২৩ সালে নিখোঁজ হয়। মহাব্বত আলী নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় তার পিতা রুছমত আলী বাদি হয়ে হবিঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কগ-৬ আদালতে রামনগর গ্রামের খোকন মিয়া সহ ৮ জন কে আসামী করে একটি মামলা করেন (মামলা নং- সিআর ৪৩৮/২৩(মাধব)। এই মামলার আসামীরা আদালতে হাজির হয়ে জামিনে বের আসলেও তাদের বাড়িঘরে মামলা চালিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করেন বাদির লোকজন। ঘটনার ৩ বছর পর ডিবি পুলিশ রামনগর গ্রামের শাহ আলম ও তার স্ত্রী জাহানারা বেগম কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে  গত ৩০ অক্টোবর রামনগর গ্রামের একটি বাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকার থেকে মহাব্বত আলীর দেহাবশেষ উদ্ধার ডিবি পুলিশ। 

জানা যায়, মহাব্বত আলীর সঙ্গে শাহআলমের স্ত্রী জাহানারা বেগমের পরকিয়ার সম্পর্ক ছিল। পরকিয়ার ঘটনার ধামাচাপা দিতেই মহাব্বত আলীকে হত্যা করে লাশ টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকে ফেলা হয়।  এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। 

মামলার আসামী খোকন মিয়া , শিপন মিয়া, জয়নাল মিয়া জানান, মহাব্বত আলী নিখোঁজ হওয়ার পর ৮ জনকে আসামী করে একটি মামলা করা হয়। ওই তিনি জেল কেটে জামিনে বের হয়ে আসেন। কিন্তু তারপরও তার বাড়িতে হামলা করা হয়। বিনা দোষে তাদের জেল কাটতে হয়েছে, সেই সাথে অর্থনৈতিক ও সামাজিক ভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। 

মামলার বাদি রুছমত আলী জানান, মহাব্বত আলী নিখোঁজ হওয়ার আগে ২ জন ব্যাক্তি তার ছেলে কে হুমকি দিয়েছিল। তাই তিনি তাদের কে আসামী করে মামলা করেন। এখন তিনি প্রকৃত দোষীদের ফাঁসি দাবি করেন। 


রাজীব দেব রায়/ নীরব চাকলাদার

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad