নতুন ইতিহাসের হাতছানি টেলর সুইফটের
সংগীতাঙ্গনের অন্যতম আলোচিত পুরস্কার ‘এমটিভি ভিডিও মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস (ভিএমএ)’ ২০২৬ আসরে একাধিক রেকর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন মার্কিন পপ তারকা টেলর সুইফট। বিশেষ সম্মাননার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক বিভাগে ১১টি মনোনয়ন পেয়েছেন তিনি।
এবার সুইফটকে ‘আর্টিস্ট ডিরেক্টর’ পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট অ্যাকশন-নেটওয়ার্ক ডটকমের তথ্য অনুযায়ী, এই সম্মাননা পাওয়ার পর ভিএমএ ইতিহাসে ব্যক্তিগতভাবে সর্বাধিক ট্রফি জয়ের মালিক হবেন সুইফট। তখন তার মোট ভিএমএ পুরস্কারের সংখ্যা দাঁড়াবে ৩১টি।
বর্তমানে ব্যক্তিগতভাবে পাওয়া পুরস্কারের সঙ্গে ‘ডেস্টিনিজ চাইল্ড’ ও ‘দ্য কার্টার্স’-এর অর্জন মিলিয়ে ৩০টি ভিএমএ ট্রফি রয়েছে পপ তারকা বিয়ন্সের। নতুন সম্মাননা যোগ হলে তাকে ছাড়িয়ে যাবেন সুইফট। প্রতিযোগিতামূলক বিভাগে আরও পুরস্কার জিততে পারলে ব্যবধানও বাড়বে।
এবার ‘ভিডিও অব দ্য ইয়ার’ বিভাগেও মনোনয়ন পেয়েছেন সুইফট। “দ্য ফেট অব ওফেলিয়া” গানের জন্য এই মনোনয়ন এসেছে। এই পুরস্কার জিতলে নির্দিষ্ট এই বিভাগে নিজের গড়া রেকর্ড আরও উঁচুতে নিয়ে যাবেন তিনি।
এর আগে ‘ব্যাড ব্লাড’, ‘ইউ নিড টু কাম ডাউন’, ‘অল টু ওয়েল: দ্য শর্ট ফিল্ম’, ‘অ্যান্টি-হিরো’ এবং ‘ফোর্টনাইট’ এই পাঁচ গানের জন্য ‘ভিডিও অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কার পেয়েছেন সুইফট। এবার জিতলে একই বিভাগে তার ট্রফির সংখ্যা হবে ছয়টি।
এক রাতের ভিএমএ জয়ের রেকর্ডেও বড় পরিবর্তন আনার সুযোগ রয়েছে সুইফটের সামনে। ১৯৮৭ সালে অস্কারজয়ী সংগীতশিল্পী পিটার গ্যাব্রিয়েল নন-কম্পিটিটিভ ‘ভ্যানগার্ড’ অ্যাওয়ার্ডসহ এক রাতে ১০টি পুরস্কার জিতে রেকর্ড গড়েছিলেন। সুইফট ১১টি মনোনীত বিভাগে জয় পাওয়ার পাশাপাশি ‘আর্টিস্ট ডিরেক্টর’ সম্মাননাটিও পেলে এক আসরে তার ট্রফির সংখ্যা হবে ১২টি। সেক্ষেত্রে এক রাতে সর্বোচ্চ ভিএমএ জয়ের নতুন রেকর্ড তৈরি হবে।
‘বেস্ট পপ’ বিভাগেও ইতিহাস গড়ার সুযোগ রয়েছে সুইফটের। এই ক্যাটাগরিতে অ্যারিয়ানা গ্র্যান্ডের সঙ্গে যৌথভাবে সর্বোচ্চ তিনটি করে ট্রফি রয়েছে তার। ‘দ্য ফেট অব ওফেলিয়া’ দিয়ে এবার জয় পেলে অ্যারিয়ানাকে ছাড়িয়ে এই বিভাগে এককভাবে সর্বাধিক পুরস্কারজয়ী হবেন সুইফট।
তবে একই বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছেন অ্যারিয়ানা গ্র্যান্ডও। ফলে ‘বেস্ট পপ’ পুরস্কার ঘিরে দুজনের প্রতিদ্বন্দ্বিতাও এবারের ভিএমএর অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠবে।
তাহির আহমদ/ নীরব চাকলাদার/ প্রসি-২০২৬
মন্তব্য করুন: